ইউরোপএশিয়াবিশ্ব

এবার ক্যালিফোর্নিয়ায় গির্জায় গুলি, একজন নিহত

নন্দন নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গির্জায় বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিউইয়র্কের বাফেলো শহরে একটি সুপারমার্কেটে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার একদিন পর এ ঘটনা ঘটল।

ক্যালিফোর্নিয়ার লসঅ্যাঞ্জেলস শহরের অরেঞ্জ কাউন্টির শেরিফের দপ্তর টুইট বার্তায় জানায়, রোববার বিকেলে স্থানীয় জেনেভা প্রিসবেটেরিয়ান গির্জায় বন্দুকধারীর গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক।

গির্জায় গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে অস্ত্রসহ আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে তাঁর নাম–পরিচয় জানানো হয়নি। এই ঘটনার কারণ সম্পর্কেও প্রাথমিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। ওই এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

গত শনিবার বিকেলে নিউইয়র্কের বাফেলো শহরের টপস ফ্রেন্ডলি সুপারমার্কেটে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হন। আহত হন আরও ৩ জন। এ ঘটনায় ১৩ জন হতাহতের মধ্যে ১১ জনই কৃষ্ণাঙ্গ। অন্য দুজন শ্বেতাঙ্গ।
এই ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন হিসেবে ওই সুপারমার্কেট থেকে ১৮ বছরের শ্বেতাঙ্গ তরুণ পেটন গেন্ড্রনকে আটক করে পুলিশ। তিনি পেনসিলভানিয়া সীমান্তের কাছাকাছি নিউইয়র্কের সাউদার্ন টায়ারের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, বর্ণবাদে উৎসাহী হয়ে পেটন এই হামলা চালান।

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হচুল বলেন, হামলাকারী তাঁর ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি প্রচার করেছেন। যে প্ল্যাটফর্ম থেকে এটি সম্প্রচার করা হয়েছে, তারা কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি হতাশ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাফেলোর ঘটনাটিকে ‘ঘৃণ্য’ কাজ আখ্যায়িত করে এর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঘৃণার কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই। ঘৃণা থেকে সৃষ্ট সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতে সামর্থ্যের সবকিছুই করতে হবে।
এর আগে গত মার্চে ক্যালিফোর্নিয়ার সাক্রামেন্টো শহরের একটি গির্জায় গুলি চালিয়ে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক তিনজন সন্তানকে হত্যা করেন এক বাবা। পরে তিনি আত্মহত্যা করেন। অন্যদিকে এপ্রিলে অঙ্গরাজ্যটির একই শহরের সড়কে বন্দুকধারীর গুলিতে কমপক্ষে ৬ জন নিহত ও ৯ জন আহত হন।

সম্পর্কিত নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button