বিনোদন

সোনমের সাপ্তাহিক হাতখরচ ছিল ৪০ ডলার

বলিউডে অভিনেতা হিসেবে অতটা সাফল্য না পেলেও ফ্যাশনসচেতন হিসেবে এখনো তিনি প্রথম সারির একজন। স্বামী আনন্দ আহুজা বড় ব্যবসায়ী। তার বর্তমান ঝলমলে বিলাসী জীবন দেখে কে বলবে অর্থকষ্টের মধ্যে বড় হয়েছেন সোনম কাপুর।কী, অবাক লাগছে! বাবা এত বড় বলিউড তারকা। তাঁর কিনা টানাটানি! হ্যাঁ, এটাই সত্য। ২০১১ সালের একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ‘নীরজা’খ্যাত অভিনেত্রী। জন্মদিনে সেই দিনগুলোর কথাই আবার ভারতীয় গণমাধ্যমে উঠে এল।

ভারতীয় গণমাধ্যম জুমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনম জানান, শৈশব থেকেই মা-বাবা তাঁদের ‘মধ্যবিত্ত মূলবোধ’-এ বেড়ে ওঠার ওপর জোর দেন বেশি। সন্তানকে সব সময়ই টাকার গুরুত্ব শিখিয়েছেন। সোনম বলেন, ‘তাঁরা দুজনেই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁরা ভীষণভাবে চেয়েছেন আমরাও যেন মধ্যবিত্ত মূল্যবোধে বেড়ে উঠি।’সোনম আরও বলেন, ‘লোকে যেমনটা বিশ্বাস করে, তা ঠিক নয়। মা-বাবা আমাকে খুবই কম হাতখরচ দিতেন। বলতেন, দরকারি টাকা নিতে পারো, কিন্তু অতিরিক্ত টাকার কোনো দরকার নেই। বিশেষভাবে ডিজাইন করা পোশাকের জন্য অতিরিক্ত কোনো টাকা দেওয়া হবে না।’

সিঙ্গাপুরে নাট্য ও শিল্পকলায় পড়ালেখা করেন সোনম। সেখানে সপ্তাহে তাঁর হাতখরচ ছিল ৪০ ডলার। তিনি বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে এটা কিছুই না। খুবই খরুচে শহর। তখন ভেবেছি, যে করেই হোক আমাকে টাকা আয় করতে হবে। কিছু করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু চার দিনের মাথায় আমাকে বের করে দেওয়া হলো। আসলে ওসব কাজে আমি খুবই কাঁচা ছিলাম।’

সোনমের পছন্দ বিলাসী জীবনযাপন। সোনম বলেন, ‘নিজের রুচি আমি পাল্টে ফেলেছি। মা-বাবা আমাকে ফ্যাশনসচেতন হিসেবে লালন-পালন করেননি। তাঁরা আমাকে গাড়ি কিনে দেননি। আমার গাড়ি আমি নিজেই কিনেছি। টাকা শোধ করতে আমার তিন বছর লেগেছিল।’জন্মদিনে বাবা অনিল কাপুর শুভেচ্ছা জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘যে মেয়েটি তার স্বপ্ন পূরণে ছুটছে এবং তার মনের কথা শুনছে, তাকে শুভেচ্ছা। বাবা হিসেবে প্রতিদিন তোমার বেড়ে ওঠা দেখাটা ছিল স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এমন সেরা সন্তানের বাবা হতে পেরে সত্যিই আমি সৌভাগ্যবান।’

১৯৮৫ সালের ৯ জুন অনিল কাপুর ও সুনিতার ঘরে জন্ম নেন সোনম কাপুর। শেষ তাঁকে দেখা গেছে ‘দ্য জোয়া ফ্যাক্টর’ ছবিতে। হাতে আছে ‘ব্লাইন্ড’।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button