যুক্তরাষ্ট্র

কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

তিক্ত সম্পর্কের মধ্যেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের জটিল চুক্তি নিয়ে চর্চা চলছে বিশ্বজুড়ে। পাঁচ মার্কিন বন্দিকে মুক্তির বিনিময়ে ছাড়তে হবে তেহরানের জব্দকৃত ৬০০ কোটি ডলার। একে ‘হোস্টেজ ডিপ্লোমেসি’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন অনেকে। বিশ্লেষকদের চর্চায় উঠে আসছে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তিতে ফেরার ইস্যুটি। এটিকে ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের আগে নতুন কূটনীতি হিসেবেও দেখছেন অনেকে। অবশ্য, বাইডেন প্রশাসন সাফ জানিয়েছে, ইরান ইস্যুতে তারা অবস্থান পাল্টাবে না। এই চুক্তিকে বিরল কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কূটনীতিকরা। গত বৃহস্পতিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ বন্দি বিনিময় ইস্যুতে সমঝোতা হয়। সেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বন্দির বিনিময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা তেহরানের ৬০০ কোটি ডলার ছাড় করাতে হবে, যা আসবে কাতার সেন্ট্রাল ব্যাংকে। তবে শর্ত দেয়া হয়েছে, খাবার ও ওষুধ কেনার মতো মানবিক কাজে বিপুল অংকের অর্থ খরচ করতে হবে তেহরানকে।এদিকে, ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফুয়াদ ইজাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উসকানিতে ৭০ বছর আগে যে অভ্যুত্থান হয়েছিল, সেটির পুনরাবৃত্তি চায় না ইরান। সে কারণেই, সন্দেহভাজন মার্কিনিদের বন্দি করা হয়েছে। এর পেছনে কূটনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে জাতিসংঘের নীতিমালা লংঘন করছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেটি নিয়ে মার্কিন মিত্রদের মাথাব্যাথা নেই।

সম্পর্কিত নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button