কানাডাযুক্তরাষ্ট্র

তিমির মুখে ৩০ সেকেন্ড যুক্তরাষ্ট্রের মাইকেল প্যাকার্ড

হাঙর নয়, বিশাল এক তিমি মুখে পুরে নিয়েছিল মাইকেলকে। তবে তাঁর ভাগ্য বেশ ভালো। কিছুক্ষণ পরই তিমিটি তাঁকে উগলে দেয়। মাইকেল বলেন, ‘তিমির মুখে আমি ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড ছিলাম। হঠাৎ আলো দেখতে পাই। এরপর তিমিটি মাথা বাঁকিয়ে ফেলে। আমি নিজেকে বাইরে (পানির ওপর) আবিষ্কার করি।’

তিমির মুখ থেকে ফিরে এলেও সামান্য ক্ষত তৈরি হওয়া ছাড়া বড় কোনো ক্ষতি হয়নি মাইকেলের। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন তিনি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবন ফিরে পাওয়ার এই গল্প সবার সঙ্গে ভাগ করেছেন। মাইকেল বলেন, ‘তিমিটি আমাকে গিলে খেতে চেয়েছিল। কিন্তু ইতালীয় কল্পকাহিনির ক্ল্যাসিক চরিত্র “পিনোচ্চিও”–এর মতো ফিরে এসেছি।’

মাইকেল যে তিমির মুখের ভেতর থেকে ঘুরে এসেছেন, সেটি হাম্পব্যাক হোয়েল নামে পরিচিত। এই প্রজাতির পূর্ণবয়স্ক একেকটি তিমি লম্বায় ৩৯ থেকে ৫২ ফুট হতে পারে। ওজন হয় ৩০ টন পর্যন্ত। ম্যাসাচুয়েটসের সেন্টার ফর কোস্টাল স্টাডিজের তিমিগবেষক জোকি রবিনস বলেন, ‘আমি মনে করি না মাইকেল ভুয়া গল্প বলছেন। যাঁরা সাগর–মহাসাগরে কাজের তাগিদে যান, তাঁরা বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেরেন। তবে আমি এমন দুর্ঘটনার কথা আগে শুনিনি। মাইকেল হয়তো ভুল সময়ে ভুল জায়গায় চলে গিয়েছিলেন।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button