খেলাফুটবল

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এক কাণ্ডে ৩৩ হাজার কোটি খোয়াল কোকাকোলা

২০১৯ সালে নাকি বছরে ইনস্টাগ্রাম থেকে তাঁর আয় ৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার ছিল। তখন রোনালদোর অনুসারী ছিল ১৭ কোটি ৭০ লাখের মতো। এখন আরও ১২ কোটি অনুসারী বেড়েছে। ফলে পণ্য দূতিয়ালির বাজারে রোনালদো অনেক বড় ভূমিকা রাখেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার পর কোকাকোলার সঙ্গে পেপসিও আলোচিতের (ট্রেন্ডিং) তালিকায় চলে এসেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পেপসির সঙ্গে রোনালদোর কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে রোনালদোর এই কাণ্ডে সর্বনাশ এমনিতেই হয়ে গেছে কোকাকোলার। গতকাল ইউরোপের স্টক মার্কেট খোলার সময় কোকাকোলার শেয়ারের দর ছিল ৫৬.১০ ডলার। আধঘণ্টা পর পর্তুগালের ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। আর বুদাপেস্টে পুসকাস স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলনকক্ষের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারে দর ৫৫.২২ ডলারে নেমে আসে।

এর মানে শেয়ারবাজারে এক লাফে ১.৬ শতাংশ দাম হারিয়েছে কোকাকোলা। যার মানে প্রতিষ্ঠানের মূল্য ২৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার থেকে এক লাফে ২৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হয়ে গেছে!স্বাস্থ্য সচেতন রোনালদো অবশ্য এর আগেও কোকাকোলার বিপক্ষে কথা বলেছিলেন। সেটা একটু অন্যভাবে। নিজের ছেলেকে কীভাবে শাসন করেন, সে প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমি আমার ছেলেকে কড়া শাসনে রাখি। মাঝেমধ্যে সে কোক বা ফান্টা খায়, চিপসও খায়। সে জানে আমি এটা পছন্দ করি না।’৩৬ বছরেও তরুণদের মতো শরীরী গঠন ধরে রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেন রোনালদো। আর সে জন্য অতিথিদেরও ভুগতে হয় তাঁর বাসায়। এ নিয়ে প্যাট্রিক এভরা একবার বলেছিলেন, ‘তার বাসায় গিয়েছিলাম ক্ষুধা নিয়ে। কিন্তু খাবার টেবিলে দেখলাম শুধু একটা সালাদ, মুরগির বুকের মাংস আর পানি। কোনো পানীয় নেই!’

এত দিন তবু কাছের লোকজন সহ্য করেছেন রোনালদোর এমন আচরণ। কোকাকোলার মতো ব্র্যান্ড কি মেনে নেবে সেটা?

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button