কানাডা

অভিভাবকদের মতে মহামারী চলাকালীন স্কুলের নীতিনির্ধারকরা শিশুদের কল্যাণকে যথেষ্ট বিবেচনা করেন নি

মহামারী চলাকালীন স্কুলের নীতিনির্ধারকরা শিশুদের কল্যাণ কে যথেষ্ট বিবেচনা করেন নি বলে অভিভাবকরা তাদের মতামত জানিয়েছেন। অ্যাঙ্গাস রিড ইনস্টিটিউটের একটি সমীক্ষায় জানা যায় পিতামাতারা বলছেন যে, মহামারীকালীন সময়ে শিশুদের কল্যাণ নীতিনির্ধারকদের অগ্রাধিকার ছিলনা। কুইবেক ইংলিশ প্যারেন্টস কমিটি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাথরিন কোরাকাকিস বলেন, মার্চ ব্রেকের পর মাস্ক ম্যান্ডেট এত দ্রুত সরিয়ে নেওয়া আমাদের বাচ্চাদের সর্বোচ্চ নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। স্কুলে মাস্ক নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ছাত্রদের ঘন ঘন in- person এবং ভার্চুয়াল শিক্ষার মধ্যে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়ার কারণে অভিভাবকরা মনে করেন কানাডিয়ান নীতিনির্ধারকরা মহামারী চলাকালীন শিশুদের হতাশ করেছেন। এ বছরের ১ থেকে ৪ মার্চের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে ২,৫৫০ জন প্রাপ্তবয়স্ক কানাডিয়ানকে কোভিড ১৯ এর মধ্যে তারা কিভাবে কাজ করেছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। জরিপে অংশ নেয়া উত্তরদাতাদের ৬৭ শতাংশ বলেছেন নীতিনির্ধারকরা মহামারী চলাকালীন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় শিশুদের মঙ্গল যথেষ্ট বিবেচনা করেনি। এসব অভিভাবকদের শিশুদের বয়স ১৮বছরের কম ছিল। তবে এ সংখ্যাটি আরো বেড়ে গিয়ে ৭২ শতাংশে পৌঁছায় যখন অভিভাবকদের শিশুদের বয়স ৬ থেকে ১২ বছরের মধ্যে ছিল। এছাড়াও, মহামারী চলাকালীন শিশুদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতির পাশাপাশি শিক্ষার অগ্রগতিও ব্যাহত হয়েছে বলে অভিভাবকরা মত দিয়েছেন। তবে এসব ব্যাপারে স্যারে ডিস্ট্রিক্ট পেরেন্টস এডভাইজরী কাউন্সিলের মিডিয়া ডাইরেক্টর রানী সেনঘেরা বলেন, তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে অভিভাবকদের সাথে আরো ভালো যোগাযোগের পাশাপাশি স্কুল সম্পর্কিত নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলোতে সরকারি কর্মকর্তারা আরো অধিক বিবেচনা করবেন।

সম্পর্কিত নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button